সাজেদা চৌধুরীর আত্মজীবনী, জানা-অজানা সাজেদা চৌধুরীর ,সাজেদা চৌধুরীর জানা-অজানা অধ্যায়,সাজেদা চৌধুরীর সম্পর্কে জানা অজানা তথ্য

সাজেদা চৌধুরীর আত্মজীবনী, জানা-অজানা সাজেদা চৌধুরীর ,সাজেদা চৌধুরীর জানা-অজানা অধ্যায়,সাজেদা চৌধুরীর সম্পর্কে জানা অজানা তথ্য

Q&A লেখাপড়া

বিষয়: সাজেদা চৌধুরীর আত্মজীবনী, জানা-অজানা সাজেদা চৌধুরীর ,সাজেদা চৌধুরীর জানা-অজানা অধ্যায়,সাজেদা চৌধুরীর সম্পর্কে জানা অজানা তথ্য

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী (জন্ম: ৮ মে, ১৯৩৫) বাংলাদেশের বিশিষ্ট প্রমিলা রাজনীতিবিদ। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জাতীয় সংসদের উপনেতা। তিনি পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হিসেবেও পূর্বে কর্মরত ছিলেন।

তিনি ১৯৭৪ সালে গ্রামীণ উন্নয়ন ও শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য ইউনেস্কো ফেলোশিপপ্রাপ্ত হন এবং একই সময়ে তিনি বাংলাদেশ গার্ল-গাইড এসোসিয়েশনের জাতীয় কমিশনার হিসেবে সর্বোচ্চ সম্মানসূচক সনদ সিলভার এলিফ্যান্ট পদক লাভ করেন। তিনি ২০০০ সালে আমেরিকান বায়োগ্রাফিক্যাল ইনস্টিটিউট কর্তৃক ওমেন অব দি ইয়ার নির্বাচিত হন। ২০১০ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।

ব্যক্তিজীবন
১৯৩৫ সালের ৮ মে মাগুরা জেলাতে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। তার পিতার নাম সৈয়দ শাহ হামিদ উল্লাহ এবং মাতা সৈয়দা আছিয়া খাতুন। শিক্ষাজীবনে তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।[২] তার স্বামী রাজনীতিবিদ এবং সমাজকর্মী গোলাম আকবর চৌধুরী। ২০১৫ সালের ২৩শে নভেম্বর তার স্বামী মৃত্যুবরণ করেন।

রাজনৈতিক জীবন
১৯৫৬ সাল থেকে সাজেদা চৌধুরী আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত৷ ১৯৬৯–১৯৭৫ সময়কালে তিনি বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে কলকাতা গোবরা নার্সিং ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন তিনি।১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭২-১৯৭৫ সময়কালে বাংলাদেশ নারী পুনর্বাসন বোর্ডের পরিচালক, ১৯৭২-১৯৭৬ সময়কালে বাংলাদেশ গার্ল গাইডের ন্যাশনাল কমিশনার এবং বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯২ সাল থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক প্রদত্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়কের দায়িত্বও তিনি পালন করছেন।

তিনি ফরিদপুরের কৃষাণপুর ইউনিয়ন (ফরিদপুর-২; নগরকান্দা, সালতা ও সদরপুর) থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। দশম সাধারণ নির্বাচনেও তিনি এ অঞ্চল থেকে নির্বাচিত হন।

২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি জাতীয় সংসদের উপনেতা হন।

দুর্নীতির অভিযোগ
২০০৮ সালের ১০ই জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাজেদা চৌধুরী’র বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ১.৩৮ মিলিয়ন টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ দাখিল করে। তিনি এ অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে ২০০৮ সালের ১৮ই নভেম্বর বাংলাদেশ হাইকোর্ট মামলাটি স্থগিত করেন, পরবর্তীতে ২০১০ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে আবারও ওঠে। হাইকোর্ট তাকে জামিন দেন। ২০১০ সালের ২৯শে নভেম্বর হাইকোর্ট মামলায় চৌধুরীর বিরুদ্ধের অভিযোগ সুসংগঠিত না হওয়ায় মামলাটি থেকে তাকে অব্যাহতি দেন।

জন্ম সালঃ১৯৩৫ সালের ৮ মে
জন্মস্থানঃমাগুরা জেলায়
মৃত্যুঃ
সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ
সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ। তাঁর পিতার নাম সৈয়দ হামিদুল্লাহ, মায়ের নাম সৈয়দা আছিয়া খাতুন এবং স্বামীর নাম গোলাম আকবর চৌধুরী। জনাব গোলাম আকবর চৌধুরী মুজিবনগর সরকারের বিশেষ উপদেষ্টা সদস্য এবং ভাষা সৈনিক হিসাবে পরিচিত । তাঁর তিনজন পুত্র সন্তান এবং একজন কন্যা সন্তান রয়েছে। সাজেদা চৌধুরী ১৯৫৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে যোগদানের মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। এরপর ১৯৬৬ সালে আওয়ামীলীগের ৬ দফা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৬৯ সালে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি দেশের নারী সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুজিব নগর সরকারের অধীনে গোবরায় মহিলা মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পের পরিচালক ছিলেন। ১৯৭২ সালে তিনি নারী পূনর্বাসন বোর্ডের পরিচালক মনোনীত হয়েছিলেন। ১৯৭৩ সালে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পরে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ন দায়িত্ব এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জেনারেল সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন। রাজনৈতিক কারণে তিনি কয়েকবার কারাবরণও করেছেন।সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বাংলাদেশ ক্ষুদ্র শিল্প কর্পোরেশনের পরিচালক ছিলেন।১৯৯১ সাল থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।  এরপর ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল সময়ে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মনোনীত হয়েছিলেন । এরপর ২০০৮ সালের ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম নারী সংসদ উপনেতা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
এসময় তিনি নিজ এলাকায় প্রচুর স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, রাস্তাঘাট ব্রীজ-কালর্ভাট এবং সামাজিক বনায়ন কর্মসূচি উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। সামাজিক এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় তিনি ২০১০ সালে বাংলাদেশ সরকারের স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বাংলাদেশের বিশিষ্ট প্রমিলা রাজনীতিবিদ। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জাতীয় সংসদের উপনেতা। এর আগে তিনি পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৫৬ সাল থেকে সাজেদা চৌধুরী আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ১৯৬৯–১৯৭৫ সময়কালে তিনি বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে কলকাতা গোবরা নার্সিং ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। 

১৯৭২-১৯৭৫ সময়কালে বাংলাদেশ নারী পুনর্বাসন বোর্ডের পরিচালক, ১৯৭২-১৯৭৬ সময়কালে বাংলাদেশ গার্ল গাইডের ন্যাশনাল কমিশনার এবং ১৯৭৬ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯২ সাল থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক প্রদত্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্বও তিনি পালন করছেন।

১৯৩৫ সালের ৮ মে মাগুরা জেলায় মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। তার পিতার নাম সৈয়দ শাহ হামিদ উল্লাহ এবং মাতা সৈয়দা আছিয়া খাতুন। 


Paragraph & Composition/Application/Emaliউত্তর লিংক ভাবসম্প্রসারণ/প্রবন্ধ, অনুচ্ছেদ/ রচনা/আবেদন পত্র/প্রতিবেদন/ চিঠি ও ইমেলউত্তর লিংক

শিক্ষাজীবনে তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তার স্বামী রাজনীতিবিদ এবং সমাজকর্মী গোলাম আকবর চৌধুরী। ২০১৫ সালের ২৩ নভেম্বর তার স্বামী মৃত্যুবরণ করেন।

সাজেদা চৌধুরী গত নবম ও দশম সংসদের উপনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে একাদশ জাতীয় সংসদের উপনেতা পদে তার বহাল থাকা-না থাকা নিয়ে আলোচনা চলছিল।

তবে সবকিছুর অবসান করে ফের জাতীয় সংসদের উপনেতা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। 

সোমবার রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছেন।

এছাড়া গত বুধবার জাতীয় সংসদে গঠিত আটটি সংসদীয় কমিটির মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি করা হয়েছে সাজেদা চৌধুরীকে। 

একাদশ জাতীয় সংসদে তিনি ফরিদপুরের কৃষাণপুর ইউনিয়ন (ফরিদপুর-২; নগরকান্দা, সালথা ও সদরপুর) থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জয়ী হন। দশম সাধারণ নির্বাচনেও তিনি এ অঞ্চল থেকে নির্বাচিত হন।


আমরা আছি নিচের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলোতে ও

Leave a Reply

Your email address will not be published.